টাইটানিকের অজানা ১০টি তথ্য
বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত জাহাজ দুর্ঘটনা হিসেবে টাইটানিকের নাম সবার মুখে উচ্চারিত হয়। তবে, টাইটানিক সম্পর্কে অনেক কিছু জানাই নেই। আজ আমরা জানবো টাইটানিক সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য যা হয়তো অনেকেই জানেন না।
১. টাইটানিকের প্রথম ক্লাসের টিকেটের দাম ছিল আশ্চর্যজনকভাবে উচ্চ
টাইটানিকের প্রথম ক্লাসের একটি টিকেটের দাম ছিল প্রায় $1,500 (আজকের মুদ্রায় প্রায় $40,000)। এ কারণে এই টিকেট কিনতে পারতেন শুধু ধনাঢ্য ব্যক্তিরাই। তাতে থাকা সুবিধাগুলো ছিল অসাধারণ, যেমন বিলাসবহুল কেবিন, সুইমিং পুল, এবং সেরা রেস্তোরাঁ।
২. পাচঁটি স্তরের পিরামিড আকৃতির কাঠামো
টাইটানিকের ডিজাইনটি বিশেষভাবে পিরামিড আকৃতির ছিল। এটি আধুনিক জাহাজ নির্মাণের এক আশ্চর্য উদাহরণ ছিল। প্রতিটি স্তরের মধ্যেই সম্পূর্ণ একটি আলাদা ধরনের আর্কিটেকচার এবং ডিজাইন ব্যবহৃত হয়েছিল।
৩. একটি "অপরাজেয়" জাহাজ হিসেবে চালু হয়েছিল টাইটানিক
তখনকার সময়ে টাইটানিককে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং "অপরাজেয়" জাহাজ বলে মনে করা হতো। নির্মাতা কোম্পানি এটিকে ডেকেছিল, "এটা ডুববে না!"
৪. টাইটানিকের সঙ্গী ছিল আরও দুটি জাহাজ
টাইটানিকের সঙ্গে একই সময়ে আরও দুটি জাহাজ ছিল—"Olympic" এবং "Britannic"। যদিও দুটি জাহাজই টাইটানিকের মতো ছিল, কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হয়নি।
৫. এটির শেষ সফর ছিল প্রথম এবং একমাত্র সফর
টাইটানিকের প্রথম এবং একমাত্র সফর ছিল 1912 সালের 10 এপ্রিল থেকে 15 এপ্রিল পর্যন্ত। এর শেষ মুহূর্তে এটি আছড়ে পড়ে বরফbergের সঙ্গে, যা ইতিহাসের অন্যতম ভয়ানক দুর্ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়।
৬. এই জাহাজে ছিল 3,000 আইস কিউব!
টাইটানিকের রেফ্রিজারেটর সিস্টেমে 3,000 আইস কিউব ছিল, যা দীর্ঘ যাত্রার জন্য খাবার তাজা রাখতে ব্যবহৃত হতো।
৭. টাইটানিকের সঙ্গী ছিল একটি পোষা কুকুর
টাইটানিকের এক যাত্রী তার পোষা কুকুরকে সঙ্গী করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। যাত্রীরা জানতেন না যে, এই কুকুরের জীবিত থাকা একটি রহস্য হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নেবে!
৮. পাঁচটি স্নিগ্ধ সমুদ্র সৈকত
টাইটানিকের যাত্রীরা যখন সাগরে ডুবে যাচ্ছিলেন, তারা কিছু কিছু এলাকায় সমুদ্রের আশ্চর্য সৌন্দর্য এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখতে পান। কিন্তু, সেই শান্ত পরিবেশ ছিল তাদের শেষ পর্যায়ের জন্য।
৯. অফিসার ওয়াটসন–দুর্ঘটনার পরও তাঁর শেষ মুহূর্তে শান্ত ছিলেন
টাইটানিকের এক অফিসার, ওয়াটসন, দুর্ঘটনার পরেও শান্ত ছিলেন এবং তাঁকে শেষ পর্যন্ত দেহত্যাগ করার আগে বহু যাত্রীর জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছিলেন।
১০. টাইটানিকের নির্মাণকারীদের জন্য ছিল আরেকটি চ্যালেঞ্জ
টাইটানিকের নির্মাণের সময়ও অনেক ত্রুটি ছিল। জাহাজটির কিছু অংশ খুব দ্রুত নির্মিত হয়েছিল, যাতে কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব ছিল। এর মধ্যে ছিল কম lifeboat এবং সঠিকভাবে নির্ধারিত লাইফবোটের সংখ্যা।